বর্তমান বিশ্বে ব্লগিং একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্লগাররা ব্লগিং করে তাদের সামাজিক এবং মূল্যবোধের পরিচয় দিচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ব্লগিং করে তারা অনলাইন থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে। আপনি আমার এই নিবন্ধটি পড়ছেন এর অর্থ আপনার মাঝে ব্লগিং করার সুপ্ত বাসনা হলেও রয়েছে। তবে আপনি যদি একজন প্রফেশনাল মানের ওয়েব বা ব্লগ পাবলিশার হতে পারেন তবে তুলনামূলক কম পরিশ্রম করে আজীবন ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
আমি যখন ব্লগিং শুরু করি তখন আমি বুঝতে পারছিলামনা আসলে কি কারনে ব্লগ তৈরি করবো ? কেন ব্লগ লিখবো ? ইত্যাদি অসংখ্য বিষয়ে প্রশ্ন জেগে উঠলো কিন্তু উত্তরের আশায় গুগল আমাকে তেমন কোন বাংলা তথ্য দিতে পারলনা। ফলশ্রুতিতে কোন কিছু না জেনেই শুরু করলাম ব্লগিং নামের অজানা একটি পেশা। ব্লগিং শুরু করার পরে ধীরে ধীরে আমার সামনে এর পরিধি সম্পর্কে বিভিন্ন সুবিধা হাতছানি দিতে লাগলো এবং বর্তমানে আয়ের অসংখ্য দ্বার উন্মোচন হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশী ব্লগাররা বাংলা ভাষায় ব্লগ লিখছেন ফলে বাংলা ভাষার পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে সেই সাথে বাংলা ভাষায় তথ্য অনুসন্ধানে গুগল ব্লগিং কিওয়ার্ড নিয়ে অপর্যাপ্ততা মুলক কোন বানি শোনায়না। ব্লগিং নিয়ে অসংখ্য বাংলা তথ্য প্রকাশের ফলে এই সমস্যাটি এখন আর নেই।
বর্তমানে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ব্লগিং এবং অন্যান্য অসংখ্য মাধ্যম নিয়ে নতুনদের প্রশিক্ষন দিচ্ছে ফলে সহজেই আমরা ব্লগের গুরুত্ব বুঝতে পারছি। “বাংলাহিলি.কম” নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে এধরনের একটি প্রশিক্ষণের আয়জন করেছে আপনি এখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
যাইহোক আমাদের মুল প্রসঙ্গে ফিরে আসি, বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজ ব্লগিং শুরু করছে কিন্তু নির্দিষ্ট গাইডলাইনের অভাবে কিছু দিনের মাঝেই তারা ঝরে পড়ছে।
নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ, প্রথমেই ব্লগিংকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়,এটিকে একটি গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োগে এই গণমাধ্যমটি ধীরে ধীরে আপনার অর্থ উপার্জনের রাস্তা তৈরি করবে। মনে রাখবেন বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বছরে এক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ, প্রথমেই ব্লগিংকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়,এটিকে একটি গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োগে এই গণমাধ্যমটি ধীরে ধীরে আপনার অর্থ উপার্জনের রাস্তা তৈরি করবে। মনে রাখবেন বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বছরে এক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
পরিশেষে, একজন প্রফেশনাল ব্লগার হিসেবে আমি সর্বোপরি ব্লগ সংক্রান্ত এবং ব্লগ নিয়ে সুদূরপ্রসারী ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে থাকি ফলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে সফলতা আমাকে স্পর্শ করতে বাধ্য হয়। সময়ের সাথে সাথে আমার আয়ের পরিমান প্রত্যাশিত ভবে বেড়ে চলেছে।
শুধু তাই নয়, ব্লগিং করে তারা অনলাইন থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে। আপনি আমার এই নিবন্ধটি পড়ছেন এর অর্থ আপনার মাঝে ব্লগিং করার সুপ্ত বাসনা হলেও রয়েছে। তবে আপনি যদি একজন প্রফেশনাল মানের ওয়েব বা ব্লগ পাবলিশার হতে পারেন তবে তুলনামূলক কম পরিশ্রম করে আজীবন ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
আমি যখন ব্লগিং শুরু করি তখন আমি বুঝতে পারছিলামনা আসলে কি কারনে ব্লগ তৈরি করবো ? কেন ব্লগ লিখবো ? ইত্যাদি অসংখ্য বিষয়ে প্রশ্ন জেগে উঠলো কিন্তু উত্তরের আশায় গুগল আমাকে তেমন কোন বাংলা তথ্য দিতে পারলনা। ফলশ্রুতিতে কোন কিছু না জেনেই শুরু করলাম ব্লগিং নামের অজানা একটি পেশা। ব্লগিং শুরু করার পরে ধীরে ধীরে আমার সামনে এর পরিধি সম্পর্কে বিভিন্ন সুবিধা হাতছানি দিতে লাগলো এবং বর্তমানে আয়ের অসংখ্য দ্বার উন্মোচন হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশী ব্লগাররা বাংলা ভাষায় ব্লগ লিখছেন ফলে বাংলা ভাষার পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে সেই সাথে বাংলা ভাষায় তথ্য অনুসন্ধানে গুগল ব্লগিং কিওয়ার্ড নিয়ে অপর্যাপ্ততা মুলক কোন বানি শোনায়না। ব্লগিং নিয়ে অসংখ্য বাংলা তথ্য প্রকাশের ফলে এই সমস্যাটি এখন আর নেই।
বর্তমানে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ব্লগিং এবং অন্যান্য অসংখ্য মাধ্যম নিয়ে নতুনদের প্রশিক্ষন দিচ্ছে ফলে সহজেই আমরা ব্লগের গুরুত্ব বুঝতে পারছি। “বাংলাহিলি.কম” নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে এধরনের একটি প্রশিক্ষণের আয়জন করেছে আপনি এখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
যাইহোক আমাদের মুল প্রসঙ্গে ফিরে আসি, বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজ ব্লগিং শুরু করছে কিন্তু নির্দিষ্ট গাইডলাইনের অভাবে কিছু দিনের মাঝেই তারা ঝরে পড়ছে।
নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ, প্রথমেই ব্লগিংকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়,এটিকে একটি গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োগে এই গণমাধ্যমটি ধীরে ধীরে আপনার অর্থ উপার্জনের রাস্তা তৈরি করবে। মনে রাখবেন বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বছরে এক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ, প্রথমেই ব্লগিংকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নয়,এটিকে একটি গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োগে এই গণমাধ্যমটি ধীরে ধীরে আপনার অর্থ উপার্জনের রাস্তা তৈরি করবে। মনে রাখবেন বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বছরে এক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
পরিশেষে, একজন প্রফেশনাল ব্লগার হিসেবে আমি সর্বোপরি ব্লগ সংক্রান্ত এবং ব্লগ নিয়ে সুদূরপ্রসারী ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে থাকি ফলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে সফলতা আমাকে স্পর্শ করতে বাধ্য হয়। সময়ের সাথে সাথে আমার আয়ের পরিমান প্রত্যাশিত ভবে বেড়ে চলেছে।


0 মন্তব্যসমূহ